মেনু নির্বাচন করুন

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
বরিশাল নদী বন্দর

বরিশাল সদর উপজেলা থেকে ২.২৫ কিলোমিটার পূর্ব দিকে কীর্তনখোলা নদীর তীরে। বরিশালের সকল গুরুত্ব পূর্ন স্থান থেকে অটো যোগে আসা যাওয়া করা যায়।

বরিশাল নদী বন্দর এর প্রবেশ টিকিট মূল্য ০৫ টাকা 

লাখুটিয়া জমিদার বাড়ী

প্রথমে বরিশাল নতুন বাজার বাসস্ট্যান্ড এ আসতে হবে । নতুন বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস ,অটোরিক্সা , আলফা গাড়ি , মটর সাইকেল ইত্যাদি যোগে বাবু বাজার বাসস্ট্যান্ড এ নামতে হবে এবং অল্প পথ পায়ে হেটে যেতে হবে।

বাস ভাড়া ঃ ৩০-৪০টাকা 

টিকিটঃ  কোন টিকিট মূল্য নাই

গজনীর দীঘি

বরিশা্ল উপজেলার সদর ঘাট থেকে ট্রলার পার হয়ে চরকাউয়া বাস ষ্টান যেতে হবে। তার পর সেখান থেকে বাসে চড়ে মজিদ হাওলাদার বাস স্টান্ডে নামতে হবে। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেটে বা অটো রিক্সা যোগে অতি অল্প সময়ে গজণীর দিঘীতে পৌছানো যাবে। 

ভাড়া জন প্রতি ট্রলার ভাড়া=৫ টাকা বাস ভাড়া=২০-২৫ টাকা

অটোভাড়া - ১০ টাকা।

কোন প্রবেশ মূল্য নেই।

৩০ গোডাউন (রিভার ভিউ পার্ক ও বধ্যভূমি )

বরিশাল শহর থেকে রিক্সা যোগে অতি অল্প সময়ে যাওয়া সম্ভব।

রিক্সা ভাড়াঃ সর্বোচ্চ-৬০টাকা

অটো ও সিএনজি ভাড়াঃ ৫০-১০০ টাকা

 

প্লানেট ওয়ার্ল্ড শিশু পার্ক

বরিশাল শহর থেকে রিক্সা,অটো রিক্সা যোগে অতি অল্প সময়ে যাওয়া সম্ভব ।

কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ

বরিশাল শহর থেকে ব্যাটারি চালিত বাহনে করে উত্তর কড়াপুর গ্রামে পৌছাতে পারবেন। নবগ্রাম রোড দিয়ে খুব সহজেই এই গ্রামে চলে আসতে পারবেন। তাই ব্যাটারি চালিত বাহনের চালককে এই পথ দিয়ে যেতে বলতে পারেন। সাধারন পরিবহনে আসলে অবশ্যই পপুলার হাই স্কুলের সামনে নামতে হবে।তারপর পায়ে হাটা ১৫ মিনিটের পথ।

ভাড়াঃ ৫০-১০০ টাকা

 

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু বাংলাদেশে উচু সেতু গুলোর একটি। এর কারণ এর নিচে দিয়ে বরিশাল-ঝালকাঠি-পটুয়াখালির লঞ্চ যায়। এটি দপদপিয়া সেতু নামেও পরিচিত। রূপাতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় যেতে হলে এই সেতু দিয়ে যেতে হবে। সেতু দিয়ে গাড়ি যাতায়াতের জন্য টোল দিতে হয়। ব্রিজের উপর থেকে কীর্তনখোলা নদীর সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। খুব ভোড়ে অথবা বিকালে লোকজন ভীড় করে এই সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে।

টোল ভাড়া - যানবাহনের উপর নির্ভরশীল।



Share with :

Facebook Twitter