মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

0

০১-০১-১৯৫৩

উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

কীর্তনখোলা নদীর তীরে বরিশাল জেলার প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী শান্ত, স্নিগ্ধ, গম্ভীর অথচ আনন্দময় এক বিদ্যানিকেতন ‘উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’। জন্মলগ্নে যার নাম ছিল ‘‘ কিশোর প্রাথমিক বিদ্যালয়’’। অত:পর মহাকালের যাত্রাপথে কালের সকল বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে যুগ যুগ ধরে দাঁড়িয়ে থাকা স্কুলটি কিশোর ও যৌবন পেরিয়ে আজ প্রৌঢ়ত্বে পড়েছে।  ১৯৫৩  খ্রীষ্টব্দে  চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশের পরম শ্রদ্ধেয় বিশপ লারোজ, সি.এস.সি এর অধীনস্থ শ্রদ্ধেয় ফাদার পিকার্ড , সি.এস.সি ও ফাদার ওবে, সি.এস.সি ও কয়েকজন ধর্মপ্রাণ ও প্রগতিশীল ব্যক্তিদের নিয়ে  বরিশাল অঞ্চলের ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবার এক সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা হাতে নেন। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৫৩ খ্রীষ্টাব্দে ৫নং সদর রোডে প্রায় ৮০ (আশি) জন ছাত্র নিয়ে প্রথম গড়ে উঠে-‘‘ কিশোর প্রাথমিক বিদ্যালয়’’। যার উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন স্থান হতে আগত বরিশালে বসবাসরত খ্রীষ্টান ও অন্যান্য  ছাত্রদের শিক্ষিত করা  এবং বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করা। তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন ব্রাদার কার্ডিনাল, সিএসসি। এই মহান উদ্দেশ্যকে  সামনে রেখেই বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। ১৯৫৭ খ্রীষ্টাব্দের দিকে কিশোর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত করে নবগ্রাম রোড় নিয়ে যাওয়া হয়।  স্থান পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে স্কুলটির নামও পরিবর্তন করে রাখা হয় -‘‘সেন্ট পলস্ প্রাথমিক বিদ্যালয়’’ । তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন ব্রাদার গ্রামো, সিএসসি। এখানেও ছাত্রদের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না, বিশেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের।  অত:পর চিন্তা- ভাবনার পর  ১ম ও ২য় শ্রেণী প্রভাতি বলিকা বিদ্যালয়ের সাথে এবং ৩য়  - ৮ম শ্রেণী প্রভাতীর প্রাঙ্গনে পৃথকভাবে সেন্ট পলস্ নামে ছাত্ররা পড়াশুনা করে ৫নং সদর রোড়ে ‘প্রভাতী বালিকা বিদ্যালয়ে’। সেখানে মেয়েদের ছুটির পর ছেলেদের ক্লাশ শুরচ হত। তখন প্রভাতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন সিষ্টার রানী, সিএসসি এবং সেন্ট পলস্ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ব্রাদার ব্যাপ্টিষ্ট, সিএসসি। এভাবেই বেশ কয়েক বছর একই  স্থানে বিদ্যালয় দু’টির সকল কার্যক্রম চলতে থাকে।

পরবর্তীতে বিদ্যালয়টির নাম  পরিবর্তন করে বাংলা নাম রাখার প্রস্তাব আসে এবং  অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবু পঞ্চানন ঘোষের প্রস্তাবিত ‘উদয়ন’ নামটি সবার দৃষ্টি কেড়ে নেয়। তাই অনেক যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে নতুন নাম রাখা হয় ‘উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’। এভাবে উদয়ন নাম নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয়ের অগ্রগতি। বর্তমানে বিদ্যালয়টি বরিশাল শহরের মধ্যে অন্যতম স্থান অধিকার করে আছে। এই প্রতিষ্ঠানটি তিন বার জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছে। বিদ্যালয়েটিতে এস.এস.সি, জে.এস.সি এবং সমাপনী পরীক্ষায় ৯৯% এর বেশী শিক্ষার্থীরা  পাশ করে থাকে। ‘উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি’  প্রতিষ্ঠার পর থেকে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় এবং বর্তমানে দক্ষিণ বাংলার  বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করে আছে। এ ছাড়া মন্ত্রনালয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নে বরিশাল জেলা পর্যায়ে ২০১২ ও ২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম স্থান অধিকার করেছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
ব্রাদার আলবার্ট রত্ন ০১৭৪৯-১৪৩২০২ uhsbarisal@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

প্রাথমিক শাখা

শ্রেণি

শাখা

হিন্দু

খ্রিষ্টান

ইসলাম

মোট

সর্বমোট

১ম

জুই

০৭

 

৬৪

৭১

 

১৪০

১ম

বেলী

১৮

 

৫১

৬৯

২য়

শাপলা

২৮

 

৫৭

৮৫

 

১৭০

২য়

গোলাপ

 

৮১

৮৫

৩য়

হাসনাহেনা

৪৭

 

৪৩

৯০

 

২৬২

৩য়

কৃষ্ণচুড়া

১০

 

৭৬

৮৬

৩য়

রজনীগন্ধা

 

 

৮৬

৮৬

৪র্থ

মল্লিকা

 

 

৮৫

৮৫

 

২৪৬

৪র্থ

ডালিয়া

 

০৮

৭৩

৮১

৪র্থ

দোলনচাপা

৩৬

 

৪৪

৮০

৫ম

পায়রা

 

 

৭৬

৭৬

 

২৩৩

৫ম

পাপিয়া

 

৭৩

৭৮

৫ম

ময়না

২৭

 

৪৯

৭৬

 

 

 

 

 

১০৫১

১০৫১

               

মাধ্যমিক শাখা

শ্রেণি

শাখা

হিন্দু

খ্রিষ্টান

ইসলাম

মোট

সর্বমোট

৬ষ্ঠ

দোয়েল

 

 

৭৮

৭৮

 

৩০৩

৬ষ্ঠ

ময়ূর

 

৬৮

৭৫

৬ষ্ঠ

   কোকিল

৫১

 

৩৩

৮৪

৬ষ্ঠ

বুলবুল

 

 

৭২

৭২

৭ম

সান

 

 

৮১

৮১

 

২৪২

৭ম

মুন

 

৭৪

৮১

৭ম

ষ্টার

৩০

 

৫০

৮০

৮ম

ইউরেনাস

 

 

৭৩

৭৩

 

২২৪

৮ম

জুপিটার

 

৬৮

৭৭

৮ম

নেপচুন

২৩

 

৫১

৭৪

৯ম

ধাঁনসিড়ি

০১

 

৭৪

৭৫

 

২১৭

৯ম

সুগন্ধা

১২

৬৯

৮৩

৯ম

কীর্তনখোলা

২৪

 

৩৫

৫৯

১০ম

পদ্মা

১৪

৫৮

৭৪

 

১৮৪

১০ম

মেঘনা

১২

 

৪০

৫২

১০ম

যমুনা

০৮

 

৫০

৫৮

 

 

 

 

 

১১৭০

১১৭০

৯৮%

১। সভাপতি -বিশশ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, সি.এস.সি

পিতা : মৃত ললিত হাওলাদার

 

২। সদস্য-সচিব: ব্রাদার আলবার্ট রত্ন,সি.এস.সি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (ভারপ্রাপ্ত)

পিতা: মৃত: সচিন্দ্রনাথ রত্ন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এ., বি.এড.,এম.এ., এম.এড., ডি.এফ.থি

 

৩। জনাব এ.এস.এম. মাসুম রাহাত, শিক্ষক প্রতিনিধি

পিতা: মৃত এ.কে. মোসলেহ উদ্দীন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.সি (অনার্স), এম.এস.সি. (পদার্থবিদ্যা), বি.এড.

 

৪। মিস্ রুণু হালদার, শিক্ষক প্রতিনিধি

পিতা: মৃত: সুরেন হালদার

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এ., বি.এড.,এম.এ., এম.এড., ডি.এফ.থি

 

৫। ডঃ মেথিউ সরোজ বিশ্বাস (মনোনীত অভিভাবক প্রতিনিধি)

পিতা: মৃত নীলকান্ত বিশ্বাস

শিক্ষাগত যোগ্যতা: পি.এইচ.ডি.

পেশা: এসোসিয়েট প্রফেসর, বি.এম. কলেজ, বরিশাল

 

৬। জনাব ফিরোজ আলম (মনোনীত অভিভাবক প্রতিনিধি)

পিতা: মৃত আব্দুস সামাদ সিকদার

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এ.এই.সি.                   

পেশা: স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সদর উপজেলা, বরিশাল

 

৭। ড: কমলিনী জয়ধর (মনোনীত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি)

স্বামী: প্রশন্তি কুমার বাড়ৈ

শিক্ষাগত যোগ্যতা: পি.এইচ.ডি     

পেশা: শিক্ষকতা, সহাযোগি অধ্যাপিকা, সংস্কৃতি, সরকারী বি.এম. কলেজ, বরিশাল।

সমাপনী পরীক্ষা (৫ম শ্রেণি)

 

সন

পরীক্ষার নাম

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের হার

ফেল

২০১০

সমাপনী

২৬৮

১০০%

 

২০১১

সমাপনী

২৬৬

১০০%

 

২০১২

সমাপনী

১৯৭

১০০%

 

২০১৩

সমাপনী

১৮৮

১০০%

 

 

 

 

জেএসসি পরীক্ষা

সন

পরীক্ষার নাম

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের হার

ফেল

২০১০

জেএসসি

১৮৮

১০০%

 

২০১১

জেএসসি

১৮৮

১০০%

 

২০১২

জেএসসি

২০৮

১০০%

 

২০১৩

জেএসসি

২২৩

১০০%

 

 

 

এসএসসি পরীক্ষা

সন

পরীক্ষার নাম

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের হার

ফেল

২০০৯

এসএসসি

২৩৪

১০০%

 

২০১০

এসএসসি

১৫৯

১০০%

 

২০১১

এসএসসি

১৬৩

১০০%

 

২০১২

এসএসসি

১৫৯

১০০%

 

২০১৩

এসএসসি

১২১

৯৮.৩৪

 

১। সকল ছাত্রদের ডিজিটাল ক্লাসের আওতায় আনা।

২। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সকল অভিভাবকদের নিকট ছাত্রদের তথ্যাবলী ও সকলপ্রকার খবরাখবর পৌছে দেয়া।

৩। সকল শিক্ষকদের মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস প্রস্ত্তত ও ক্লাস নেওয়ার নেয়ার যোগ্য করে তোলা।

৪। শিক্ষার্থিদের শিক্ষার সাথেসাথে জীবন গঠনের উপর জোর দেয়া।

৫। পরাশুনার পাশাপাশি নৈতিক ও মূল্যবোধ শিক্ষার প্রতি জোর দেয়া।

৬। আশেপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া।

৭। বিদ্যালয়ের কারিকুলামের উপর গুরুত্ব দেয়া।

৮। শিক্ষকদের যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক রূপে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ঠ ও উপযুক্ত প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

৯। বিদালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের কাউনসিলিং ও গাইডেন্স কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেয়া।

১০। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের ধারাকে সমুন্নত রাখা।

 

32, Fazlul Hoque Avenue,

Barisal-8200, Bangladesh.

 

udayanschool10@gmail.com

0431-2173110